নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভুয়া কম্পিউটার সনদের ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সরকারি কোষাগার থেকে তাদের উত্তোলিত মোট ৪৫ লাখ ৯ হাজার ৮৫৭ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)।
অধিদপ্তরের গত মে মাসের পরিদর্শন প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপে এই তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার চরফ্যাশন টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কুলছুমবাগ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওই দুই শিক্ষকের নিয়োগ বিধিসম্মত হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তাদের নেওয়া সব বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের পর গৃহীত অর্থও একইভাবে ফেরতযোগ্য বলে গণ্য হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চরফ্যাশন টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. আলাউদ্দিনের কম্পিউটার সনদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত অনুযায়ী জাল ও ভুয়া হওয়ায় তার নিয়োগ বিধিসম্মত হয়নি। ফলে তার গৃহীত ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ৪২৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই তারিখের পর তিনি যে বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন, তাও ফেরত দিতে হবে।
একই প্রতিবেদনে কুলছুমবাগ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. আমজাদ হোসেনের (ইনডেক্স-১১৫৪২২৯) যোগদানকালীন কম্পিউটার সনদও জাল ও ভুয়া বলে মতামত পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ কারণে তার নিয়োগও বিধিসম্মত হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০১৯ এর ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ এর ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে গৃহীত ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৪৩০ টাকা ফেরতযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই সময়ের পর গৃহীত বেতন-ভাতাও ফেরত দিতে হবে।
Leave a Reply